তৈলাক্ত ত্বকে লোমকূপ বড় হয়ে যায় যার ফলে তেল জমে সেসব বন্ধ হয়ে ব্রণও ওঠে। তাই গরমে প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে তৈলাক্ত ত্বক রক্ষা করতে হলে প্রতিদিন ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে বসেই ত্বকের যত্ন নিতে পারেন। ত্বকে কৃত্রিম ক্রিম ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, আমাদের প্রকৃতিতেই অনেক পণ্য পাওয়া যায় যা দিয়ে আমরা খুব সহজেই প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে পারি।


লবণের স্প্রে
ভেতর থেকে ত্বকের তেল-ময়লা দূর করার ক্ষমতা রয়েছে লবণের। তাই ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে এটা খুব কার্যকরী। একটি স্প্রে বোতলে ১ কাপ পানি নিয়ে এতে ১ টেবিল চামচ লবণ গুলে নিয়ে মুখের তৈলাক্ত স্থানটিতে স্প্রে করুন। এরপর খানিকক্ষণ রেখে দিয়ে টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন। প্রতিদিন এভাবে করলে অনেকাংশে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে আসবে।

শসা ও লেবুর রসের ব্যবহার
ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে শসা ও লেবুর রস ব্যবহার করুন। একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ শসার রস নিয়ে এতে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি একটি তুলোর বলের সাহায্যে পুরো ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শসার রস ত্বকের নিচের তেল গ্রন্থি থেকে তেল বের করে তৈলাক্ততা দূর করে। লেবুর রসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি ব্রণ হবার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়।

মধুর সঙ্গে চিনি
মধুর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। মুখে মেখে কিছুক্ষণ পর হালকা করে ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে একদিক দিয়ে যেমন তেলতেলে ভাব দূর হবে অন্যদিকে মুখের কালচে ভাবও দূর হবে।

মুলতানি মাটি ও গোলাপজলের মাস্ক

এই মাস্কটি ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে অনেক বেশী কার্যকরী। প্রথমে ২ টেবিল চামুচ মুলতানি মাটি ও গোলাপজল নিয়ে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। এরপর পেস্টটি ভালো করে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহারে দ্রুত তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পাবেন।