১. আলুর চিপস
আলুর চিপস খুব পছন্দ? এটি কিন্তু মারাত্মক ভাবে ওজন বাড়ায়। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট ও ক্যালোরি, যার থেকে হতে পারে ওবেসিটি সমস্যা। শুধু ওবেসিটি নয়, এটা রক্তে সুগারের পরিমাণও অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। তার ফলে সুগারের সমস্যা তো বটেই, আরও নানান সমস্যা হতে পারে আলুর চিপস বা এই জাতীয় যেকোনো ভাজা থেকে। তাই আজ থেকেই আলুর চিপস খাওয়া বন্ধ করুন।

২. কম ফ্যাট যুক্ত খাবার
লো ফ্যাট যুক্ত খাবার খাচ্ছেন। ভাবছেন ওজন এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু এতে কমার বদলে বাড়তে পারে ওজন! অবাক লাগলেও এটাই কিন্তু সত্যি। এইসব খাবারে চর্বি কম থাকে, তার ফলে স্বাদ থাকে না। আর আপনি বার বার খান। এছাড়াও স্বাদ আনার জন্য এতে চিনি মেশানো হয়। যার ফলে ওজন সহজেই বাড়ে। তাই ফ্যাট কমাতে, আলাদা করে লো ফ্যাট খাবার খাওয়ার কোনো দরকার নেই। বাড়িতেই হেলদি খাবার খান।

৩. বেশী মিষ্টি খাবার
খুব বেশী চিনি যুক্ত খাবারও কিন্তু ক্ষতিকর। শুধু খাবার নয়, চিনি যুক্ত পানীয় যেমন সোডা খুব ক্ষতিকর। এছাড়াও বেশী চিনি যুক্ত চা-কফি, যেকোনো ক্যান্ডি বা লজেন্স, এগুলোও বাদ দিতে হবে যদি সত্যিই ওজন কমাতে চান। একটা মাঝারি সাইজের ক্যান্ডি বা বার জাতীয় বিস্কুটে, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ক্যালোরি থাকে। তাই লজেন্স, মিল্ক চকোলেট এগুলো বাদ দিলেই ভালো। কিন্তু ডার্ক চকোলেট খাওয়া যেতে পারে।

তালিকায় রয়েছে ফ্রুট জুসও। এগুলোতেও খুব বেশী চিনি ও প্রিজারভেটিভ মেশানো থাকে। আর ফাইবার প্রায় থাকে না বললেই চলে। আর যেহেতু ফ্রুট জুস চিবোতে হয় না, আর বেশ মিষ্টি হয়, তাই আমরা একসাথে অনেকটাই খেয়ে নিই। ফাইবার না থাকায় পেট তো ভরেই না। বরং ওজন আরও বেড়ে যায়। তাই ফ্রুট জুসের বদলে একটা গোটা ফল খাওয়া অনেক বেশী হেলদি। এতে ফলের সব গুণগুলি পাওয়া যায়।

৪. অ্যালকোহল
অ্যালকোহলেও খুব বেশী ক্যালোরি থাকে। এবং কিছু কিছু অ্যালকোহল ওজন বাড়িয়েও দেয়। যেমন, বিয়ার। বিয়ার খুব বেশী খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু সামান্য ওয়াইন চলতে পারে। তবে সেটা খুব সামান্য। যদি ওজন কমানোর জন্য ডায়েট মেনে চলেন, তাহলে সেখান থেকে বিয়ারকে বাদ দেওয়াই ভালো। বদলে সামান্য ওয়াইন চলতে পারে।


৫. পিৎজা
বুঝতেই পারছি যে পিৎজা আপনার খুব প্রিয়! কিন্তু এটাই আপনার ওজন খুব বেশী বাড়িয়ে দিতে পারে। দোকানের পিৎজায় খুব বেশী ক্যালোরি থাকে। এতে প্রসেস করা মাংস, সস আরও অনেক কিছু মেশানো হয়, যেগুলো মারাত্মক ভাবে ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে শুধু পিৎজাই নয়। এর’ম সব ফাস্ট ফুডই মারাত্মক ভাবে ওজন বাড়ায়। তাই একান্তই খেতে ইচ্ছা হলে, বাড়িতেই তৈরি করে খান।

এই সব কটা খাবারই মারাত্মক ভাবে ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তবে এর সঙ্গে আরেকটি খাবার অনায়াসে যোগ করতে পারেন, আপনার পছন্দের কফি। অনেকেই ক্রিমযুক্ত কফি বেশ পছন্দ করেন। এই ক্রিমেই থাকে হাই ক্যালোরি। ভাবছেন তাহলে কি কফি খাওয়াও ছেড়ে দেব? না, ব্ল্যাক কফি চলতে পারে। দুধ দেওয়া কফি চলতে পারে। তবে বেশী না। শুধু খুব বেশী চিনি, আর হাই ক্যালোরি যুক্ত ক্রিমকে এড়িয়ে চলবেন।

তাই যদি সত্যি রোগা হতে চান, তাহলে এই কয়েকটি খাবারকে আজই বিদায় জানান। মন খারাপ করার কিছু নেই, মাসে এক থেকে দুবার চলতেই পারে। তবে তার বেশী না। রোগা হবার জন্য এটুকু কষ্ট তো আপনি করতেই পারবেন! কি বলেন?